সুনামগঞ্জ , বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬ , ১২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সুনামগঞ্জ সদরে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সেবায় কাজ করতে চান মো. আবুল হায়াত শান্তিগঞ্জ থেকে শিমুলবাগান যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহত ‎জামালগঞ্জে পূর্ব বিরোধের জেরে সংঘবদ্ধ হামলার অভিযোগ ‎পাগনার হাওরে বাঁধ কাটা নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১১ জামালগঞ্জে মহিষ চুরির সন্দেহে আটক দুই ও মাংস জব্দ নিখোঁজের পর ধানক্ষেতে মিলল ৭ বছরের শিশুর লাশ, দোয়ারাবাজারে তোলপাড় ‎জামালগঞ্জে টানা বৃষ্টিতে হাওরে জলাবদ্ধতা, ব্যাপক ফসলহানি হাওর বাঁচাও আন্দোলনের নেতা আজাদ মিয়া হত্যার দ্রুত ন্যায়বিচার চাই পণাতীর্থে লাখ লাখ পুণ্যার্থীর ঢল শাল্লায় ‘সমন্বয়কের পিআইসি’ : ফসলহানির ঝুঁকির সঙ্গে মানুষের দুর্ভোগ সময় পেরিয়ে গেলেও শেষ হয়নি বাঁধের কাজ, শঙ্কায় কৃষক জনগণের উন্নয়নই বিএনপির মূল লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতকই থাকছে নদী ও খাল দখলকারীরা সাবধান হয়ে যান : কৃষিমন্ত্রী সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের দায়িত্ব নিলেন মিজানুর রহমান চৌধুরী পণতীর্থে মহাবারুণী স্নান আজ দখল হওয়া খালগুলো উদ্ধার করা হবে সড়কের উন্নয়নকাজে অনিয়মের অভিযোগ ‎মাসব্যাপী কিরাআত প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হাওরের বাঁধ: ‘আমরা আরম্ভ করি শেষ করি না...’

দোয়ারাবাজারে প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ উদযাপন: বরাদ্দের অর্থ বণ্টনে অনিয়মের অভিযোগ

  • আপলোড সময় : ২৯-১১-২০২৫ ০১:৪৭:২১ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৯-১১-২০২৫ ০১:৪৭:২১ পূর্বাহ্ন
দোয়ারাবাজারে প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ উদযাপন: বরাদ্দের অর্থ বণ্টনে অনিয়মের অভিযোগ
স্টাফ রিপোর্টার :: দোয়ারাবাজারে জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ ২০২৫ উদযাপনকে কেন্দ্র করে সরকারি বরাদ্দের অর্থ বণ্টনে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। মেলায় অংশ নেওয়া স্টল মালিকদের দাবি, ৩০টি স্টলের বিপরীতে বরাদ্দ ছিল দুই লক্ষ টাকা, কিন্তু বাস্তবে মেলায় স্থাপিত হয় মাত্র ২৫টি স্টল। সেই ২৫টি স্টল মালিকদের দেওয়া হয়েছে মাত্র ১৪শ থেকে ১৮শ টাকা করে - যা বরাদ্দের তুলনায় অত্যন্ত অপ্রতুল। উদ্যোক্তাদের অভিযোগ, অতিরিক্ত স্টল দেখিয়ে এবং প্রকৃত স্টল মালিকদের কম টাকা প্রদান করে বরাদ্দের সিংহভাগ অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে। নছর মিয়া, সবুজ মিয়া, আয়েশা ও সাইদুল ইসলাম নামের কয়েকজন উদ্যোক্তা জানান, তারা যথাক্রমে ১৪শ, ৫শ, ১৪শ ও ১৪শ টাকা পেয়েছেন। স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরাও সরজমিনে গিয়ে ৩০টি স্টলের অস্তিত্ব পাননি। এতে প্রাণিস¤পদ বিভাগের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ বিষয়ে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এস. এম. এমদাদুল হক বলেন, “বরাদ্দ দুই লক্ষ টাকা। তবে আমি এখন কাগজ দেখাতে পারবো না। রেজুলেশন হওয়ার পর দেখাতে পারবো।” তার এই অস্পষ্ট বক্তব্য বরাদ্দের সঠিক হিসাব নিয়ে আরও প্রশ্ন তৈরি করেছে। স্থানীয় উদ্যোক্তারা বলছেন, সরকারি অর্থ জনগণের সম্পদ। তাই স্টল সংখ্যা, বরাদ্দের তালিকা, খরচের বিবরণসহ সব তথ্য প্রকাশ করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে ঘটনার স্বচ্ছ তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ